Sunday, July 7, 2013

WE ARE BUDDHISTS STRONGLY CONDEMN THESE KINDS OF BARBAROUS..

AT BUDDHA GOYA BUDDHIST PLACE.


Bomb Blast at Buddha Goya Buddhist Sacred Place...

Bodh Gaya news >>

police said. 

The blasts did not cause any casualty or damage to the temple and the Bodhi tree under which Buddha attained enlightenment, a police officer said. 
The temple at Bodh Gaya was built at the spot where the Buddha attained enlightenment over 2,500 years ago. It was declared a Unesco World Heritage Site in 2002.


Home ministry confirms Bodhgaya serial blasts a terror attack, two pilgrims injured-Serial explosions inside and outside Mahabodhi temple in Bihar were a terror attack , the Home Ministry said on Sunday as it sent National Investigation Agency (NIA) and National Security Guard (NSG) teams for post-blasts investigations.

"It was a terror attack," Union Home Secretary Anil Goswami told PTI.

He, however, said so far no group has claimed responsibility for the multiple blasts and investigations were on.

Goswami said four blasts took place inside the temple complex while four occurred outside it.

Two people have been injured in the blasts hich took place between 5:30 to 5:58 am.

Arvind Singh, a member of Mahabodhi Temple Management Commitee said the two injured included a national of Myanmar and another of Tibet. They have been admitted to Magadh Medical College and Hospital, he said.

Singh said two other bombs, one near the 80 feet statue and one at bus stand have been defused.

Additional Director General of Police (Law and Order) S K Bhardwaj said prima facie it seems the serial blasts have been done by some terrorist organisation.
DIG Special Branch Parasnath told PTI said, "A team of NIA officers is coming to Bodh Gaya from Kolkata."

The ADG said that there was a general alert about possibility of terrorist attacks in Bihar and the state police have tightened security.

"At Bodh Gaya temple, the police security arrangements are only outside the temple while the security inside is looked after by temple trust officials," he said.

The DIG said, "The sanctum sanctorum of the Mahabodhi Temple is intact. The temple premises have been sanitised."

The secretary of the Bodh Gaya committee Dorji said, "There were four blasts inside the temple premises.

Fortunately, there was no damage to the Bodhi Tree or the main temple structure."

"In the first blast which took place near the Bodhi tree, a table was blown up because of which two persons were injured. The second blast, I think, was inside the enclosure where books were kept. The furniture was damaged but there was no damage to the monuments or statues," he said.

Asked about the nature of explosives used, S K Bharadwaj, ADG (Law and Order) said they were low intensity time bombs.

He said, "We got information about six-seven months back that there may be a terror attack on the Mahabodhi temple.

After that we had beefed up secuirty and deployed extra forces".

Bodh Gaya Buddhist temple, around 10 km from Gaya and 100 km from capital Patna, is world famous. Lord Buddha had attained enlightenment here under the Mahabodhi tree in the temple premises.

The Mahabodhi Temple is frequented by Buddhist pilgrims from
Sri Lanka, China and Japan and the whole of southeast Asia.

Tibetan spiritual leader the Dalai Lama makes frequent trips to Bodh Gaya and Sri Lankan President Mahinda Rajapaksa had visited it six months back. A total of 52 countries have established their monasteries here.




Thursday, May 23, 2013

Indigenous people leaving country due to rise of communalism




FRIDAY, MAY 24, 2013


Alleges Jatiya Adivasi Parishad

Indigenous people are leaving the country due to a sense of insecurity against the backdrop of rising incidents centring communalism and fundamentalism, said Jatiya Adivasi Parishad leaders yesterday.
In the last two months, around 100 indigenous families of Godagari upazila in Rajshahi district and Jhilim union of Chapainawabganj district left the country, said the parishad President Rabindranath Soren.
Addressing a press conference in Rajshahi city’s Miapara Public Library auditorium, he said there were attacks on Hindus and their places of worship following the February 28 death sentence on Jamaat leader Delawar Hossain Sayedee.
Simultaneously, fundamentalist forces in association with local land grabbers started threatening indigenous people to leave the country, he said, adding that this was prompting many indigenous people to leave and others living in villages to keep indoors.
The affected villages include Gogram, Bottoli, Edolpur, Kantopasha, Agalpur, Baganpara, Domdoma, Telibari, Chowduar, Muraripur, Atahar, Sakura, Champatola, Chhatnipara,Gonshapara, Babuldaying and Hujrapur in Godagari and Boiltha, Chottigram and Babudaying of Jhilim.
Panic has also gripped indigenous people of Natore, Naogaon and Joypurhat. “We want the government look into the matter,” he said.
The parishad placed three demands — formulation of laws to protect indigenous people and establishing a national commission for ethnic affairs, establishment of a separate and independent land commission for plain-land indigenous people, and ensuring security and immediate steps to mitigate the crisis.

Wednesday, May 22, 2013

'অহিংসা পরম ধর্ম'


বিনোদন খবর
   গৌতম বুদ্ধকে নিয়ে শাহীদ শরিফের প্রযোজনায় আরটিভি নির্মাণ করেছে তথ্যচিত্র ‘অহিংসা পরম ধর্ম’। তথ্যচিত্রটিতে তুলে ধরা হয়েছে গৌতম বুদ্ধের জীবন, কর্ম, বাণী, মোহমুক্তির মন্ত্রসহ বিভিন্ন বিষয়।

এ বিষয়ে প্রযোজক শাহীদ গ্লিটজকে বলেন, “তথ্যচিত্রটি নির্মাণ করা হয়েছে বৃহস্পতিবারের বুদ্ধ পূর্ণিমাকে উপলক্ষ করে। এদিন বৌদ্ধধর্মের প্রবক্তা গৌতম বুদ্ধের জন্মদিন। একই দিনে বুদ্ধের বোধি লাভ আর মহাপরিনির্বাণও হয়।”

তিনি আরও বলেন, “খ্রিস্টপূর্ব ৫৬৩ সালে বৈশাখী পূর্ণিমা তিথিতে বর্তমান নেপাল ও ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় শাক্যরাজ শুদ্ধোধন ও রানি মহামায়ার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছিলেন সিদ্ধার্থ। জন্মের সাত দিন পরই সিদ্ধার্থের মা ইহলোক ত্যাগ করেন। তখন মাসি মহাপ্রজাপতি গৌতমী সিদ্ধার্থের লালন-পালন করেন। এ কারণে সিদ্ধার্থ ‘গৌতম’ নামে পরিচিতি পান। গৌতম তাঁর জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছেন, ত্যাগেই জীবন সার্থক ও সুন্দর হতে পারে। তিনি হয়ে ওঠেন মুক্তির পথ-নির্দেশক-গৌতম বুদ্ধ।”

প্রযোজক জানিয়েছেন, ২৩ মে বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা ১০ মিনিটে তথ্যচিত্রটি প্রচার করবে আরটিভি।

বিডিনিউজটোয়েন্টিফোরডটকম/তুষার/এসএম/মে ২১/১৩

Tuesday, May 21, 2013

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ধর্মীয় স্বাধীনতা রিপোর্ট ২০১২ বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণে প্রাণহানি ঘটছে


ইত্তেফাক রিপোর্ট
মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৩, ৭ জৈষ্ঠ্য ১৪২০, ১০ রজব ১৪৩৪
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনের ওপর হামলার কারণে প্রাণ ও সম্পদহানি ঘটছে। বেশির ভাগ সময় এসব আক্রমণের ধরন হয় সংখ্যালঘুদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাট। কিন্তু সংখ্যালঘুদের ওপর এ ধরনের হামলার কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয় না। আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ধর্মীয় স্বাধীনতা রিপোর্ট ২০১২ তে বাংলাদেশের ধর্মীয় স্বাধীনতা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে এ কথা বলা হয়েছে। রিপোর্টে গত বছরের সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে ফতেহপুর, সাতক্ষীরা, রামু, উখিয়া ও কক্সবাজারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের উপর বিক্ষিপ্ত হামলার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। 

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এই বার্ষিক রিপোর্টে বলা হয়, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরা সাধারণ সামাজিক অবস্থানে নিচের দিকে রয়েছে। তাদের রাজনৈতিক অবস্থানও তেমন ভালো নয়। তবে দেশটির সংবিধান, আইন ও সরকারের নীতি ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষা করে চলেছে। সরকারও সাধারণত ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। গত এক বছরে ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়ে সরকারের মনোভাবের কোনো তাত্পর্যপূর্ণ পরিবর্তন দেখা যায়নি। এছাড়া ধর্মীয় স্বাধীনতার উপর আঘাতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ধর্মীয় বিবেচনায় সরকারী চাকরিতে নিয়োগ দেয়ারও কোনো কথা শোনা যায়নি। এমনকি গত কয়েক বছরের মতো সংখ্যালঘুদের সম্প্রদায়ের লোকদের সশস্ত্র বাহিনী ও সরকারী চাকরিতে বাধার সম্মুখিন হতে হয়েছে এমন কোনো অভিযোগ ওঠেনি। 

রিপোর্টে বলা হয়, হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ এবং আহমাদিয়া মুসলিম সংখ্যালঘুরা সুন্নি মুসলিমদের হাতে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়। তবে এক্ষেত্রে সরকার ও নাগরিক সমাজের বক্তব্য হলো, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এখানে এককভাবে ধর্মীয় বিশ্বাসকে দায়ী করা যায় না। রিপোর্টে সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষার সরকারকে আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানানো হয়।

Monday, April 1, 2013

সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধ করতে হবে কঠোর হাতে - সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত হোক


ঢাকা, সোমবার, ১ এপ্রিল ২০১৩, ১৮ চৈত্র ১৪১৯, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৪

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনা যে আন্তর্জাতিক মনোযোগ কেড়েছে, তা আমাদের জানা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহল থেকে এটা নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করা হয়েছে। জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বিষয়টির একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের যে আহ্বান জানানো হয়েছে, তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরাও মনে করি, যুদ্ধাপরাধের বিচারের ঘটনা নিয়ে যে সহিংসতা ঘটে গেল, এর একটি গ্রহণযোগ্য তদন্ত প্রয়োজন। 
আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ঘটে যাওয়া মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চলছে। দেশবাসী এই অপরাধের বিচার দেখতে চায়। যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত অধিকাংশ ব্যক্তি একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণকারী জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জড়িত এবং তাঁরা বিচার-প্রক্রিয়ার বিরোধিতার নামে সহিংস পথ বেছে নিয়েছেন। সারা দেশে এ পর্যন্ত ৮৮ জন প্রাণ হারায়। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এ ধরনের সহিংসতা ও মৃত্যু কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। 
এ সহিংসতায় প্রাণহানির পাশাপাশি যেমন সম্পদ ধ্বংস হয়েছে, তেমনি সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়টি হচ্ছে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ও উপাসনালয়ে হামলা। যুদ্ধাপরাধের বিচারের সঙ্গে কার্যত সম্পর্ক না থাকলেও আমরা দেখছি, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। দুঃখজনক হচ্ছে সরকার বা প্রশাসন তাদের রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারছে না। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কর্মীরাও হামলা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। গত শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয় থেকে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সামগ্রিকভাবে এই পুরো ঘটনাপ্রবাহে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করা হয়েছে। জাতিসংঘের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত বিশেষ দূত বলেছেন, ‘আমি বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে সব হত্যাকাণ্ডের বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছি। এসব হত্যাকাণ্ড রাষ্ট্রীয়ভাবে হোক বা না হোক, সেটা কোনো ব্যাপার নয়।’ 
আমরাও মনে করি, জামায়াতের সহিংস তাণ্ডবের কারণে হোক, সহিংসতা দমন করতে গিয়ে হোক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো ধরনের বাড়াবাড়ির কারণে হোক বা কোনো স্বার্থান্বেষী মহলের উসকানির কারণেই হোক—এতগুলো প্রাণহানিসহ এই সহিংসতার একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। এখানে রাজনৈতিক শক্তির দায় কতটুকু, প্রাণহানি রোধ, সম্পদ রক্ষা বা সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা বন্ধে প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যর্থতা কোথায় বা কী পরিমাণ, তা বের করা জরুরি। 
আমরা মনে করি, মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করা যেমন সরকারের দায়িত্ব, তেমনিভাবে দেশের জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্বও সরকারের। এটা মানতেই হবে, সরকার সাম্প্রতিক সময়ে তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। সরকার যেমন এ জন্য জামায়াতসহ বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষকে দায়ী করছে, তেমনি বিরোধীপক্ষও সরকারকে দায়ী করছে। চলমান সন্ত্রাসী তৎপরতার পেছনে কারা আছে এবং তা রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথা সরকারের দুর্বলতা কোথায়—এসব জনগণের সামনে পরিষ্কার হতে হবে।
সংগত কারণেই আমরা মনে করি, পুরো ঘটনাটির একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

Friday, March 15, 2013

বাংলাদেশ নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তুমুল বিতর্ক পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান


ঢাকা, শনিবার, ১৬ মার্চ ২০১৩, ২ চৈত্র ১৪১৯, ৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৪
মাঈনুল আলম, লন্ডন থেকে


বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনা নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে উত্তপ্ত বিতর্ক হয়েছে। পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউজ অব লর্ডসের কয়েকজন সদস্য রাজনৈতিক অস্থিরতা, সাম্প্রতিক সহিংসতা এবং সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ব্রিটিশ আইন প্রণেতারা বিতর্কে অংশ নিয়ে এ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানান।

জবাবে ব্রিটিশ সরকারের পক্ষে একজন প্রতিমন্ত্রী জানান, ব্রিটিশ সরকার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত আছে এবং চলমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গেও এ ব্যাপারে যোগাযোগ আছে বলে হাউজ অব লর্ডসকে জানানো হয়। বৃহস্পতিবার হাউজ অব লর্ডসে বিতর্কের সূচনা করেন ব্রিটিশ জোট সরকারের অন্যতম অংশীদার লিবারেল ডেমোক্রেট দলের সদস্য লর্ড এরিক এ্যভব্যারি। তিনি বাংলাদেশ বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের দ্বয়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর কাছে জানতে চান, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সহিংসতায় বহু লোকের প্রাণহানি ও সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া এবং তাদের উপাসনালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় ব্রিটিশ সরকার অবহিত কিনা। জবাবে পররাষ্ট্র ও কমনওয়েল্থ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারোনেস সাঈদা ওয়ার্সি বলেন, বাংলাদেশে সামপ্রতিক সহিংসতার ঘটনায় ব্রিটিশ সরকার গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এসব ঘটনায় ৭০ জন নিহত হয়েছেন যাদের বেশিরভাগই মারা গেছে আইন-শৃংখলা বাহিনীর গুলিতে। এছাড়া ২৪টি হিন্দু মন্দির ভাঙচুর, ১২২টি ঘর ও বহু দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর এসেছে। এসব দুঃখজনক ঘটনায় আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশ সরকারকে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আহ্বান করেছি। সম্প্রতি তার বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করে ওয়ার্সি বলেন, সে সফরেও আমি বলেছি যে আইনানুগ ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের মধ্যে সংঘাত ও ভাঙচুরের কোন স্থান নেই। 

বিতর্কে অংশ নেন ব্যারোনেস মঞ্জিলা পলা উদ্দিন, লর্ড ডোলাকিয়া, লর্ড ট্রিম্বলএবং ব্লেইজবোনের ব্যারোনেস রয়্যালসহ আরো বেশ কয়েকজন আইন প্রণেতা। তারা বাংলাদেশ পরিস্থিতিতে নিজেদের অভিমত প্রকাশের পাশাপাশি দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর কাছে বিভিন্ন বিষয়ে জানতে চান।

সাঈদা ওয়ার্সি আরো বলেন, 'ব্রিটিশ সরকার বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালকে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে আসছে। কেননা ব্রিটিশ সরকার মনে করে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে অপরাধ করে রেহাই পাওয়ার যে প্রবণতা, তার থেকে বের হয়ে আসার জন্য এ বিচার জরুরি। এই বিচার প্রক্রিয়া যেন সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং আইনি বিধান বজায় রেখে হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকর জন্যও আমরা বার বার আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারি জামায়াতের ভাইস প্রেসিডেন্ট সাঈদির মামলার রায় ঘোষণার পর ভাঙচুর ও সহিংসতার মাত্রা যে হারে বেড়েছে আমরা তার তীব্র নিন্দা জানাই।' তিনি হাউজ অব লর্ডসকে আরো জানান, বাংলাদেশ বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের উদ্বেগের আরো একটি কারণ হল, এ পরিস্থিতি ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যেও সংঘাত ছড়িয়ে দিতে পারে। সম্প্রতি লন্ডনের বাঙালি অধ্যুষিত হোয়াইট চ্যাপেল এলাকায় পাল্টাপাল্টি সভা সমাবেশের ঘটনায় এটা স্পষ্ট। এছাড়া কমনওয়েল্থভুক্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারেও ব্রিটেনের আগ্রহ রয়েছে। এ সময় ওয়ার্সি বাংলাদেশের সরকার ও অন্যান্য দলগুলোকে সংঘাত এড়িয়ে সংযত আচরণ করার আহ্বান জানান।

ব্যারোনেস মঞ্জিলা পলা উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন সাক্ষী হিসেবে মানবতা বিরোধী অপরাধীদের বিচারের যে দাবি বাংলাদেশের মানুষ তুলেছে তা আমি গভীরভাবে উপলদ্ধি করতে পারি। উল্লেখ্য, পলা উদ্দিন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক। লর্ড ডোলাকিয়া বলেন, ব্রিটেনে বসবাসরত বাংলাদেশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একটি প্রতিনিধি দল তার সাথে দেখা করেছেন। তারা জামায়াত-শিবির বাংলাদেশে তাদের বাড়ি-ঘরে হামলা করছে বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ সরকারকে অবহিত করার জন্য পররাষ্ট্র ও কমনওয়েল্থ মন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। 

এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে ইত্তেফাক প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে লর্ড এ্যভব্যারি বলেন, নীতিগতভাবে ব্রিটিশ সরকার যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালকে সম্পূর্ণভাবে সমর্থন করে এবং তারাও মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার চায়। তবে এই ট্রাইব্যুনালের আইন এবং বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে চরম দ্বিমত রয়েছে। যার কারণে এ বিচারের স্বচ্ছতা নিয়ে আমাদের উদ্বেগ রয়েছে। এছাড়া শাহবাগে তরুণ প্রজন্মের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রশংসা করলেও তিনি তাদের দাবির প্রতি দ্বিমত পোষণ করেন। এ্যভব্যারি বলেন, 'আমরা মৃত্যুদণ্ডের দাবির সাথে একমত নই। এছাড়া জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ হলে তারা জঙ্গিরূপে আবির্ভূত হতে পারে।